আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের মামলা হাইকোর্টে বাতিল

আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের মামলা হাইকোর্টে বাতিল

আলোকচিত্রী শহিদুল আলমের বিরুদ্ধে হওয়া তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলা বাতিল করেছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে রায়ে পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি তামান্না রহমান খালেদীর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

আদালতে আজ শহিদুল আলমের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার সারা হোসেন। সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী কাজী জাহেদ ইকবাল, আবদুল্লাহ আল নোমান, প্রিয়া আহসান চৌধুরী ও মনিয়া হক মনি।

গত বছরের ৪ নভেম্বর এ মামলার তদন্ত কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এ মামলা কেন বাতিল করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করা হয়। ওই রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে মামলা অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন আদালত।

জানা গেছে, নিরাপদ সড়কের দাবিতে আন্দোলনের সময় ২০১৮ সালের ৫ আগস্ট রাতে শহিদুল আলমকে বাসা থেকে আটক করে পুলিশ। এরপর ‘উসকানিমূলক মিথ্যা’ প্রচারণার অভিযোগে রমনা থানায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইনের মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে ৬ আগস্ট রিমান্ডে নেয়া হয়। রিমান্ড শেষে ১২ আগস্ট শহিদুল আলমকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।

কারাগারে বন্দি থাকা অবস্থায় একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতও তার জামিন আবেদন নাকচ করে দেন। এরপর ১৬ সেপ্টেম্বর হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন শহিদুল আলম। ওই বছরের ১৫ নভেম্বর এ মামলায় তাকে জামিন দিয়েছিলেন বিচারপতি শেখ আবদুল আউয়াল ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর হাইকোর্ট বেঞ্চ। প্রায় সাড়ে তিন মাস কারাগারে থাকার পর ২১ নভেম্বর জামিনে মুক্তি পান এই আলোকচিত্রী।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, নিজের ফেসবুক টাইমলাইনের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে কল্পনাপ্রসূত অপপ্রচার চালাচ্ছেন শহিদুল আলম। এর মাধ্যমে জনসাধারণের বিভিন্ন শ্রেণিকে শ্রুতিনির্ভর মিথ্যা তথ্য উপস্থাপন করে উসকানি দিয়েছেন, যা রাষ্ট্রের জন্য ক্ষতিকর।